...
--হ্যালো, আমি।
--তুমি কি জানতে ধরব আমি ?
--টের পাই, বোতাম চাপতেই বুঝি তুমি আসছ কাছে।
--খুব হয়েছে। বলো, কেন এ অবেলায়।
--কাল এলে না যে।
--মেঘ মেঘ করছিল, বিকেলে আকাশ দেখনি ?
--দেখেছি, কিন্তু জানি তো- আড়ালে তার সূর্য হাসে।
--না কাল হাসেনি। সে পালিয়েছে।
--মেঘ এসে কাল আমার জানালাতেও থাবা বসিয়েছিল।
--তোমাকে ধরেছিল ?
--দারুণ হত, এক দমকা হাওয়া দিয়েই ঝরে পড়ল মুষল ধারে।
--আর আমাকে ভিজিয়ে দিল, জলকাদায় দাঁড়িয়ে থাকলাম সন্ধে অব্দি
--তুমি যে কী, মেঘ দেখেই বোঝনি আমি আসছি না।
--বুঝেছি, মেঘের পরেও তো আসতে পারো তাই...
--ভেজা মাথায় দাঁড়িয়েছিলে, খুব হয়েছে। ঠাণ্ডা বসেনি তো ?
--না, দাঁড়িয়ে আছে তোমার জন্যে...
--বাজে বকো না।
--শোনো আমার লাস্ট ইউনিট চলছে...
--আমার যে এক্ষুণি আরো কিছু কথা না-বললেই নয়
--ফোন কার্ডের ইউনিট শেষ হতে চলেছে।
আর একটু পরেই দুজনেই না-বলা কথা বুকে নিয়ে
মৃত শরীর নিয়ে অক্ষত ফোন কার্ড ফিরে আসবে হাতে।
সুন্দর অক্ষত মৃত শরীর, কিন্তু মূল্যহীন,
মানিব্যাগে জায়গা হবে না, ফেলে দেব ময়লা বাক্সে।
--তুমি খুব নিষ্ঠুর কথা বলো। শুনতে ভীষণ লাগে।... হ্যালো হ্যালো হ্যালো...
...
Showing posts with label রবিশঙ্কর মৈত্রী. Show all posts
Showing posts with label রবিশঙ্কর মৈত্রী. Show all posts
Saturday, May 22, 2010
Subscribe to:
Posts (Atom)
